
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন মতবিরোধে পরিণত না হয় সেজন্য সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সবাইকে নিয়েই ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দেখতে চাই। এবার এককভাবে নয়, আরও অনেক দলকে ধারণ করে যথাসময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানান জামায়াত আমির।
সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) ভোরে দেশে ফেরেন ডা. শফিকুর রহমান। পরে সকাল ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
‘সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ, এবারই প্রথম প্রবাসীদের ভোটার তালিকায় ব্যাপকভিত্তিক সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে কিছু সমস্যা রয়ে গেছে। অক্টোবরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। যে সফটওয়্যার ইনস্টল করা হয়েছিল তা কাজ করেনি প্রপারলি। সংগত কারণে অনেকে আগ্রহ ও চেষ্টা সত্ত্বেও ভোটার হতে পারেননি।’
নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কমপক্ষে আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে দেওয়া হোক। যে জটিলতাগুলো আছে তা সহজ করা হোক। যেসব শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে তা শিথিল করা হোক। একজন নাগরিকের প্রমাণের জন্য তার এনআইডি যথেষ্ট। পাশাপাশি যদি একটা ভ্যালিড পাসপোর্ট থাকে তাহলে তো আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। এগুলো সহজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় সংসদসহ সরকার পরিচালনা, দেশ গঠনে পিআর সিস্টেমেই প্রবাসীরা অংশগ্রহণ করবেন। হয়ত সময় লাগবে, তবে এটা নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ। এটা আমাদের স্বপ্ন।
আমেরিকা সফর শেষে যুক্তরাজ্য ও তুরস্ক সফর করে আজ দেশে ফিরেছি। দুনিয়ার সকলের সঙ্গেই আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতার ভিত্তিতে সম্মানজনক সম্পর্ক চাই। আমরা যত জায়গায় গিয়েছি সকলের আগ্রহ সম্মান পেয়েছি।’
বিএনপি গতকাল দলীয় মনোনয়ন ঘোষণা করেছেন, জামায়াত কবে করবে? জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপি যেটা করেছে সেটিও শুনলাম চূড়ান্ত নয়। ২৩৭টা আসনে তারা মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেছেন, তবে সেটি চূড়ান্ত নয় বলেছেন। এর মধ্যেও পরিবর্তন হতে পারে।
জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এক বছর আগে আমরা আঞ্চলিকভাবে তালিকা জানিয়ে দিয়েছি। আমরা চূড়ান্ত তালিকা সময়মতো জানিয়ে দেব।
লন্ডনে অবস্থানকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আপনার বৈঠকের কথা শোনা গেছে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি শুনেছেন, আমি শুনিনি।