ঢাকা | বঙ্গাব্দ

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠালেন ট্রাইব্যুনাল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 22, 2025 ইং
১৫ সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠালেন ট্রাইব্যুনাল ছবির ক্যাপশন: ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠালেন ট্রাইব্যুনাল
ad728
আওয়ামী লীগের শাসনামলে টিএফআই-জেআইসি সেলে গুম-খুন ও জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলায় হেফাজতে থাকা ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়েছে। এসময় তাদের জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তা নাকচ করে এবং গ্রেপ্তার দেখিয়ে কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তাদের কোনো জেলে বা সাব জেলে রাখা হবে, তার সিদ্ধান্ত কারা কর্তৃপক্ষ বা সরকার নেবে।

আজ (বুধবার, ২২ অক্টোবর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আসামিদের কোন জেলে রাখা হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তাদের কাস্টডিতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কাস্টডিতে পাঠানো মানে হচ্ছে, কারা কর্তৃপক্ষের অধীনে তারা চলে যাবেন। কারা কর্তৃপক্ষ তাদের কোথায় রাখবেন অর্থাৎ কোন জেলে রাখবেন, কোন সাব জেলে রাখবেন; ঢাকায় রাখবেন না চট্টগ্রামে পাঠাবেন, না অন্য কোথাও রাখবেন— এটা যথাযথ সিদ্ধান্ত দেবে কারা কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সরকার।’

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের কাজ হচ্ছে তাদের কাস্টডিতে পাঠিয়ে দেয়া। কাস্টডিটা মেইনটেইন করেন রাষ্ট্র বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অথবা স্পেসিফিক্যালি কারা অধিদপ্তর। সুতরাং, কারা কর্তৃপক্ষ তাদের কোন কারাগারে রাখবেন, সেটা তারাই নির্ধারণ করবে।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘কারা কর্তৃপক্ষ কোন আসামিকে কী পদ্ধতিতে আদালতে হাজির করবেন, এটা তাদের সিদ্ধান্ত। এ ব্যাপারে আমাদের কিছুই বলার নেই।’

আজ সকাল সোয়া ৭টায় কড়া নিরাপত্তায় প্রিজনভ্যানে করে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। সাড়ে ৭টায় প্রিজনভ্যান থেকে নামিয়ে তাদের ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় নিয়ে যান পুলিশ সদস্যরা।

এদের মধ্যে ১৩ জন দুই গুমের মামলা ও দুইজনকে জুলাই আগস্ট অভ্যুত্থানে রামপুরায় হত্যা মামলার আসামি। এছাড়াও আগামী ৭ দিনের মধ্যে গুমের দুই মামলাসহ তিন মামলায় পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণের বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আগামী ২০ নভেম্বর গুমের মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে এবং ৫ নভেম্বর জুলাই আগস্ট হত্যা মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রিভিলেজ কমিউনিকেশন ও ওকালতনামায় স্বাক্ষরের অনুমতি নিয়েছেন।

যাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে তারা হলেন- র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এখন অবসরকালীন ছুটিতে); র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম, বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম।

নিউজটি আপডেট করেছেন : অনলাইন ইনচার্জ

কমেন্ট বক্স